Add 2

Thursday, May 18, 2023

রাজধানী ঢাকার কয়েকটি দর্শনীয় স্থান পর্ব-২

 ঢাকার দর্শনীয় স্থান যেখানে টিকিট কেটে প্রবেশ করতে হবে


জাতীয় চিড়িয়াখানাঃ


ঢাকার মিরপুরে অবস্থিত এই চিড়িয়াখানা প্রবেশ মূল্য ৫০ টাকা দুই বছরের নিচে বয়সের বাচ্চাদের এবং প্রতিবন্ধিদের জন্য টিকিট কাটতে হয় না।ঢাকা চিড়িয়াখানায় ১৩৮ প্রজাতির ২ হাজার ৬২২টি প্রাণী ও পাখি ।এখানে বিভিন্ন রকম পশু পাখির ছাড়াও দুটি পিকনিক স্পট রয়েছে।


জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যানঃ


চিড়িয়াখানার পাশেই রয়েছে জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যান বা বোটানিক্যাল গার্ডেন এখানকার প্রবেশ মূল্য ২০ টাকা।জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যানে বর্তমানে ১১৭টি গোত্রভুক্ত ৯৫২ প্রজাতির গাছপালা রয়েছে। এর মধ্যে ২৫৬টি প্রজাতির ৩৫ হাজার বৃক্ষ, ৩১০ প্রজাতির ১০ হাজার গুল্ম , ৩৭৮ প্রজাতির ১২ হাজার বিরুৎলতা জাতীয় উদ্ভিদ। নানা রকম গাছপালা উদ্ভিদ ছাড়াও এখানে শিশুদের জন্য একটি বিনোদন পার্ক রয়েছে।


লালবাগ কেল্লাঃ


ঢাকার লালবাগ এ অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক স্থান।লালাবাগ কেল্লা প্রবেশ টিকিট মুল্য জনপ্রতি ২০ টাকা এবং ৫ বছর বয়সের নীচে বাচ্চাদের লালবাগ কেল্লায় প্রবেশ করতে টিকিটের প্রয়োজন হয় না। এখানে পরিবিবির মাজার সহ আরো কিছু উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান রয়েছে ।


আহসান মঞ্জিলঃ


আহসান মঞ্জিল পুরান ঢাকার ইসলামপুরে বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত। আহসান মঞ্জিলের সাথে জড়িয়ে রয়েছে ঢাকার শত বছরের পুরনো ইতিহাস। আহসান মঞ্জিলকে ঢাকার পুরনো স্থাপনাগুলোর মধ্যে অন্যতম শ্রেষ্ঠ স্থাপত্য হিসেবে বিবেচনা করা হয় । নবাব পরিবারের বহুল স্মৃতি বিজড়িত এই প্রাসাদটি বর্তমানে জাদুঘর হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে।পুরান ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত এই স্থাপনাটি নবাব বাড়ি নামেও পরিচিত। জাদুঘরের সংগ্রহশালা আহসান মঞ্জিল ভ্রমণের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ । আহসান মঞ্জিলের ২৩টি কক্ষে মোট ৪ হাজার ৭৭ টি নিদর্শন প্রদর্শনীর জন্য উন্মুক্ত করা আছে। নবাবী আমলের মতো করেই নয়টি কক্ষ সাজানো রয়েছে। প্রতিটি কক্ষ আপনাকে সেই নবাবী আমলের ইতিহাসের কাছে নিয়ে যাবে। সাধারণ দর্শনার্থীদের আহসান মঞ্জিল পরিদর্শন করতে জনপ্রতি ২০ টাকা দিয়ে প্রবেশ টিকিট সংগ্রহ করতে হয়। ১২ বছরের নিচে অপ্রাপ্ত বয়স্ক শিশুদের জন্য জনপ্রতি ১০ টাকায় প্রবেশ টিকিট সংগ্রহ করতে হয়। 


বাংলাদেশ বিমান বাহিনী জাদুঘরঃ


বাংলাদেশ বিমান বাহিনী জাদুঘর ঢাকার আগারগাঁও অবস্থিত। এই জাদুঘরে নানা ধরনের আকাশযান ছাড়াও বিভিন্ন রকম রাইডস রয়েছে।বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর গৌরবময় ঐতিহ্যের ইতিহাস এবং সাফল্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার লক্ষ্যে এই জাদুঘরটি নির্মাণ করা হয়। এখানে খোলা চত্বরে রাখা হয়েছে বিভিন্ন জঙ্গি বিমান, হেলিকপ্টার এবং রাডার। বাংলাদেশ বিমান বাহিনী জাদুঘরে ২১টি বিমান ও ৩ টি রাডার রয়েছে। যার মধ্যে ৩টি বিমান ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারতীয় বিমান বাহিনী ব্যবহার করে এবং পরবর্তীতে বাংলাদেশকে উপহার হিসেবে প্রদান করে। জাদুঘরে সাধারণ দর্শনার্থীদের প্রবেশে টিকিটের মূল্য ৫০ টাকা এবং সামরিক বাহিনীর সদস্যদের জন্য প্রবেশ মূল্য ২৫ টাকা। এছাড়াও অর্থের বিনিময়ে জাদুঘরের বিমান কিংবা হেলিকাপ্টারে উঠার সুযোগ রয়েছে।সাপ্তাহিক বন্ধ রবিবার।


রাজধানী ঢাকার কয়েকটি দর্শনীয় স্থান পর্ব-১

 ঢাকা শহরের কয়কটি দর্শনীয় স্থান ও বিনোদন কেন্দ্র যেখানে যেকোনো ছুটির দিন অথবা অবসর সময়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে ঘুরে  আসা যায়। 


হাতিরঝিলঃ


প্রথমেই ঢাকার ছয়টি  দর্শনীয় স্থান যেখানে  সম্পূর্ণ বিনা খরচে ঘুরে বেড়ানো যায় প্রথমে রয়েছে হাতিরঝিল যা ঢাকা শহরের তেজগাঁও গুলশান এলাকা জুড়ে অবস্থিত এই হাতিরঝিল। যেখানে  আপনি চাইলে নৌকা ভ্রমণ এবং চক্রাকার বাস ভ্রমণ করতে পারবেন।

রমনা পার্কঃ


রমনা পার্ক ঢাকার শাহবাগ এ অবস্থিত এই পার্কটি ঢাকার সবচেয়ে পুরাতন এবং সবচেয়ে সুন্দর একটি পার্ক এখানে প্রতি বছর পহেলা বৈশাখে ছায়ানট আয়োজিত বর্ষবরণ অনুষ্ঠান দিয়ে নববর্ষ উদযাপন শুরু হয়।


চন্দ্রিমআ উদ্যানঃ


চন্দ্রিমা উদ্যান জাতীয় সংসদ ভবনের পাশে অবস্থিত এই স্থানটি জিয়া উদ্যান নামেও পরিচিত শেরেবাংলানগরে অবস্থিত এই স্থানটি ও কিন্তু খুবই সুন্দর । এখানে লেকের উপর একটি দর্শনীয় কাঁচের সেতু রয়েছে যা ভ্রমনকারীদের কাছে আকর্শনীয়।


ধানমন্ডি লেকঃ


ধানমন্ডি লেক ধানমন্ডির বিশাল এলাকা জুড়ে বিস্তৃত এই লেকের পাশে রয়েছে রবীন্দ্র সরোবর। তাছাড়া লেক এর উপর অনেকগুলো ছোট বড় ব্রীজও রয়েছে। 


দিয়াবাড়িঃ


দিয়াবাড়ি ঢাকা উত্তরায় অবস্থিত দিয়াবাড়িতে একই সাথে আপনি নৌকা ভ্রমণ এবং শরৎকালের কাশফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবেন। এখানে বাড়তি পাওয়ার মধ্যে মেট্রোরেল ভ্রমণ উপভোগ করা যায়।


সোহরাওয়ার্দী উদ্দ্যানঃ


সোহরাওয়ার্দী উদ্দ্যান শাহবাগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পাশে অবস্থিত সোহরাওয়ার্দী উদ্দ্যান ঢাকার একটি ঐতিহাসিক দর্শনীয় স্থান এখানকার গ্লাস টাওয়ারটি খুবই সুন্দর এখানে একটি যাদুঘরও রয়েছে।


Sunday, April 9, 2023

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভুমি বাংলাদেশ




বাংলাদেশ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এক লীলাভুমি । এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় অবস্থিত। এখানে অনেক অপূর্ব প্রাকৃতিক দৃশ্য এবং সংস্কৃতি রয়েছে। এখানে কক্সবাজার নামে পৃথিবীর দীর্ঘতম অবিচ্ছিন্ন সমুদ্র উপকূল রয়েছে। টেকনাফ নাফ নদীর তীরে অবস্থিত কক্সবাজার সমুদ্র উপকূলের শেষ বিন্দু। বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্ব অংশে অবস্থিত ছোট্ট দ্বীপ "সেন্ট মার্টিন"। দ্বীপটির স্থানীয় নাম নারিকেল জিঞ্জিরা । দ্বীপটি দুর্লভ প্রজাতির কচ্ছপের পাশাপাশি প্রবালের আবাসস্থল, যার মধ্যে কয়েকটি শুধুমাত্র এই দ্বীপেই পাওয়া যায়। কক্সবাজার উপকূলের একটি ছোট্ট দ্বীপ "মহেশখালী" । ভূমিটি বিভিন্ন নিচু পর্বতমালা দ্বারা বেষ্টিত দর্শনীয় মনোরম স্থান। পশ্চিম এবং উত্তরে দ্বীপের উপকূলরেখাগুলির নিচুভূমি ম্যানগ্রোভ জঙ্গল দ্বারা বেষ্টিত। "ইনানী সৈকত"আরেকটি দর্শনীয় স্থান। ইনানী পাথরের সমুদ্র উপকূল, ইনানির শান্তি ও সৌন্দর্য চিত্তাকর্ষক । বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বনভূমি সুন্দরবন যা তার এলিগেন্ট বেঙ্গল টাইগারের জন্যও সুপরিচিত। সুন্দরবন হল বিভিন্ন জাতের পাখি, প্রাণী, বাঘ, সরীসৃপ এবং মাছের আবাসস্থল। সুন্দরবনে ১২০ প্রজাতির মাছ এবং ২৬০ প্রজাতির পাখি নথিভুক্ত করা হয়েছে। বাংলাদেশ নৌপথের একটি অঞ্চল । দেশের মধ্য দিয়ে অনেক জলপথ চলে গেছে যা এটিকে একটি বিস্ময়কর জলভূমিতে পরিণত করেছে। উষ্ণ আবহাওয়া এবং গাছপালার একটি অন্তহীন ক্ষেত্র সহ বাংলাদেশের প্রাকৃতিক অঞ্চল, পরিষ্কার নীল আকাশ , চাঁদনী এবং ঘন অন্ধকার রাত এই সমস্ত প্রেমময় আকর্ষণ এবং কমনীয়তায় পুর্ন মুহূর্ত। বাংলাদেশে ছয়টি ঋতু তাদের অপরূপ বৈশিষ্ট্য নিয়ে আসে। বাংলাদেশে কিছু পাহাড়ি এলাকা আছে যেগুলো জৈব আকর্ষণের সম্পদ। সিলেটের পাহাড়ে চায়ের প্রাকৃতিক দৃশ্য চমৎকার যা চোখ জুড়িয়ে যায় । এদেশের মানুষের মধ্যে আছে নানা সংস্কৃতি ও বৈচিত্র্য । এ দেশের সৌন্দর্য বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষকে আকৃষ্ট করে এবং এ জনপদে টেনে নিয়ে আসে ।

ঢাকার বাতাস: এক বিশদ বিশ্লেষণ

 ঢাকার বাতাস: এক বিশদ বিশ্লেষণ ঢাকার বাতাস কেন এত দূষিত? ঢাকার বাতাসের দূষণের পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে:  * ইটভাটা: ঢাকার আশেপাশের অসংখ্য ইটভ...